Back to products
biomanix usa
Biomanix Plus (Made in USA) 60 Capsule Original price was: 2,599৳ .Current price is: 1,899৳ .

অপারেশন ছাড়াই কিডনি পাথর ও সিস্ট থেকে স্থায়ী মুক্তি – কম্বো প্যাক -৪

Original price was: 20,000৳ .Current price is: 13,000৳ .

আমাদের বিশেষ সেবা: কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪ ( সবচেয়ে বড় ছাড় দিয়ে এখন মাত্র ১৩০০০ টাকা)

আমরা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি অত্যন্ত কার্যকরী এবং পরীক্ষিত “কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪”। এই প্যাকেজটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে যারা দীর্ঘদিন ধরে কিডনির পাথর, সিস্ট এবং অসহ্য ব্যথায় ভুগছেন।

প্যাকেজের বৈশিষ্ট্য:

  • এটি কিডনির পাথরকে প্রাকৃতিকভাবে চূর্ণ করে, গলিয়ে বা ক্ষয় করে বের করে দিতে সাহায্য করে।

  • কিডনির সিস্টের বৃদ্ধি রোধ করে এবং আকার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনে।

  • ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ইনফেকশন দূর করে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়।

  • কিডনির কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং ব্যথামুক্ত জীবন নিশ্চিত করে।

  • সম্পূর্ণ জার্মানি, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশের ও উন্নত মানের কাঁচামাল থেকে তৈরি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঔষধের সমন্বয়।

সুস্থ কিডনি, সুন্দর জীবন। আজই আপনার “কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪” অর্ডার করুন এবং অপারেশনের ঝুঁকি এড়িয়ে সুস্থ থাকুন। Dr. KM Razaul Karim Mukul, Phone: 01827214817 WhatsApp, 01914259617. 

0 People watching this product now!
Description

Description

কিডনি পাথর ও সিস্ট: অপারেশনহীন স্থায়ী সমাধান

কিডনি আমাদের শরীরের ছাঁকনি। যখন এই ছাঁকনিতে পাথর বা সিস্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়, তখন জীবন হয়ে ওঠে যন্ত্রণাদায়ক। সঠিক সময়ে গুরুত্ব না দিলে এটি আপনার কিডনিকে চিরতরে অকেজো করে দিতে পারে।

কিডনি পাথর ও সিস্টের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

১. তীব্র পার্শ্বব্যথা: কোমর বা পিঠের দুই পাশে অসহ্য ব্যথা, যা মাঝে মাঝে তলপেট বা কুঁচকিতে ছড়িয়ে পড়ে।
২. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া: প্রস্রাব করার সময় প্রচণ্ড জ্বালা এবং অস্বস্তি অনুভব করা।
৩. রক্তিম বা ঘোলাটে প্রস্রাব: প্রস্রাবের রঙ লালচে, খয়রি বা অত্যন্ত ঘোলাটে হওয়া।
৪. ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ: বারবার প্রস্রাবের ইচ্ছা হওয়া কিন্তু পরিমাণে খুব কম বের হওয়া।
৫. বমি বমি ভাব: ব্যথার তীব্রতায় বারবার বমি হওয়া বা সারাক্ষণ বমি বমি ভাব থাকা।
৬. কাঁপুনি দিয়ে জ্বর: যদি কিডনিতে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে, তবে কাঁপুনি দিয়ে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর আসতে পারে।
৭. প্রস্রাবে দুর্গন্ধ: প্রস্রাবে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র ও কটু দুর্গন্ধ হওয়া।


চিকিৎসা না করলে হতে পারে মারাত্মক ৫টি ক্ষতি

১. কিডনি অকেজো হওয়া (Kidney Failure): দীর্ঘস্থায়ী পাথরের চাপে কিডনির টিস্যু নষ্ট হয়ে কিডনি স্থায়ীভাবে কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে।
২. কিডনি ফুলে যাওয়া (Hydronephrosis): পাথর প্রস্রাবের পথে বাধা সৃষ্টি করলে কিডনিতে পানি জমে তা ফুলে যায় এবং মারাত্মক ব্যথার সৃষ্টি হয়।
৩. মারাত্মক ইনফেকশন (Sepsis): সিস্ট বা পাথর থেকে রক্তে বিষক্রিয়া বা সেপসিস হতে পারে, যা জীবনঘাতী।
৪. সিস্ট ফেটে যাওয়া: কিডনি সিস্ট আকারে বড় হয়ে গেলে তা ফেটে গিয়ে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ও প্রচণ্ড যন্ত্রণার কারণ হতে পারে।
৫. স্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ: কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।


কিডনি পাথর ও সিস্টে বারবার অপারেশনের ৭টি মারাত্মক কুফল

১. কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস: প্রতিবার অপারেশনের সময় কিডনির সুস্থ টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার অস্ত্রোপচারের ফলে কিডনি ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে যায় এবং তার ছাঁকন ক্ষমতা (Filtration) হারিয়ে ফেলে।
২. স্কার টিস্যু বা ক্ষতচিহ্ন তৈরি: অপারেশনের স্থানে ‘স্কার টিস্যু’ তৈরি হয়, যা কিডনির স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো চিকিৎসার পথ কঠিন করে তোলে।
৩. ক্রনিক পেইন বা স্থায়ী ব্যথা: বারবার কাটাছেঁড়ার ফলে ওই অঞ্চলের স্নায়ু বা নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার ফলে রোগী সারাজীবনের জন্য কোমরে বা পেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় ভুগতে পারেন।
৪. সংক্রমণ বা সেপসিসের ঝুঁকি: বারবার হাসপাতালে ভর্তি এবং অস্ত্রোপচার শরীরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আনে, যা থেকে কিডনিতে মারাত্মক ইনফেকশন বা সেপসিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৫. অ্যানেস্থেশিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: বারবার জেনারেল অ্যানেস্থেশিয়া (পুরোপুরি অজ্ঞান করা) হার্ট, ফুসফুস এবং মস্তিষ্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৬. পাথর হওয়ার প্রবণতা বন্ধ হয় না: অপারেশন কেবল বিদ্যমান পাথরটিকে বের করে দেয়, কিন্তু শরীর কেন পাথর তৈরি করছে সেই মূল কারণটি দূর করে না। ফলে কয়েক বছর পর পর আবার পাথর হয় এবং রোগীকে বারবার ছুরির নিচে যেতে হয়।
৭. আর্থিক ও মানসিক বিপর্যয়: বারবার অপারেশন একটি পরিবারের জন্য চরম আর্থিক বোঝা এবং রোগীর জন্য চরম মানসিক আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা তাকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়।


ভুল বা অনভিজ্ঞ চিকিৎসায় (কবিরাজি/বনাজি) ৫টি ভয়াবহ ক্ষতি

১. হেভি মেটাল টক্সিসিটি (ভারী ধাতুর বিষক্রিয়া): অনেক কবিরাজি বা অনিবন্ধিত বনাজি ঔষধে পারদ, সীসা বা আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতু থাকে, যা পাথর দূর করা তো দূরের কথা, বরং সরাসরি কিডনিকে পুরোপুরি অকেজো (Kidney Failure) করে দেয়।
২. সময়ক্ষেপণ ও রোগের জটিলতা বৃদ্ধি: বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা না নিয়ে ভুল জায়গায় সময় নষ্ট করলে একটি ছোট পাথর বা সিস্ট জটিল আকার ধারণ করে, যা পরবর্তীতে আর নিরাময়যোগ্য থাকে না।
৩. নেফ্রোটক্সিসিটি (কিডনিতে বিষক্রিয়া): না জেনে অনেক লতা-পাতা বা গাছের রস সেবন করলে তা সরাসরি কিডনির নেফ্রন ধ্বংস করে দিতে পারে, যা হঠাৎ করে ‘একিউট কিডনি ইনজুরি’ তৈরি করে।
৪. লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়া: অনেক হাতুড়ে চিকিৎসকের দেওয়া কড়া পেইনকিলার বা স্টেরয়েড সাময়িকভাবে ব্যথা কমিয়ে রাখে। রোগী ভাবে সে সুস্থ হচ্ছে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে কিডনি পচে নষ্ট হয়ে যেতে থাকে।
৫. স্থায়ী অঙ্গহানি ও অকাল মৃত্যু: ভুল চিকিৎসার চূড়ান্ত পরিণতি হলো কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের পর্যায়ে চলে যাওয়া বা ডায়ালাইসিস শুরু করা, যা প্রকারান্তরে অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।



“কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-১” “অপারেশনের ঝুঁকি আর ভুল চিকিৎসার আতঙ্ক ছেড়ে বেছে নিন জার্মানি ও উন্নত মানের ঔষধের সমন্বয়ে তৈরি আমাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন স্থায়ী সমাধান।”

কিডনি পাথর ও ব্যথায় হোমিওপ্যাথি কেন কার্যকর? (৭টি গুরুত্বপূর্ণ কথা)

১. স্বাভাবিক উপায়ে পাথর অপসারণ: হোমিওপ্যাথি ঔষধ পাথরকে কুচি কুচি করে গলিয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়, কোনো কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না।
২. সিস্টের আকার হ্রাস: নির্দিষ্ট মেয়াদে ঔষধ সেবনে সিস্টের ভেতরের তরল শুকিয়ে যায় এবং সিস্ট ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।
৩. পুনরায় পাথর হওয়া রোধ: হোমিওপ্যাথি শুধু পাথর বের করে না, বরং শরীরে পাথর হওয়ার প্রবণতা বা ‘Diathesis’ স্থায়ীভাবে নির্মূল করে।
৪. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ব্যথা মুক্তি: কিডনির ব্যথায় হোমিওপ্যাথি ঔষধ দ্রুত কাজ করে এবং এটি অ্যালোপ্যাথিক পেইনকিলারের মতো কিডনির ক্ষতি করে না।
৫. কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি: এই চিকিৎসা পদ্ধতি কিডনির ফিল্টার করার ক্ষমতা বা GFR রেট উন্নত করতে সাহায্য করে।
৬. অপারেশন ছাড়াই সমাধান: সার্জারির ভয় ছাড়াই অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে ঘরে বসেই সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করা সম্ভব।
৭. মূল উৎপাটন চিকিৎসা: এটি রোগের লক্ষণের পাশাপাশি রোগীর শারীরিক ও মানসিক গঠন অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করে।


আমাদের বিশেষ সেবা: কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪ ( সবচেয়ে বড় ছাড় দিয়ে এখন মাত্র ১৩০০০ টাকা)

আমরা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি অত্যন্ত কার্যকরী এবং পরীক্ষিত “কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪”। এই প্যাকেজটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে যারা দীর্ঘদিন ধরে কিডনির পাথর, সিস্ট এবং অসহ্য ব্যথায় ভুগছেন।

প্যাকেজের বৈশিষ্ট্য:

  • এটি কিডনির পাথরকে প্রাকৃতিকভাবে চূর্ণ করে, গলিয়ে বা ক্ষয় করে বের করে দিতে সাহায্য করে।

  • কিডনির সিস্টের বৃদ্ধি রোধ করে এবং আকার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনে।

  • ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ইনফেকশন দূর করে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়।

  • কিডনির কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং ব্যথামুক্ত জীবন নিশ্চিত করে।

  • সম্পূর্ণ জার্মানি, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশের ও উন্নত মানের কাঁচামাল থেকে তৈরি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঔষধের সমন্বয়।

সুস্থ কিডনি, সুন্দর জীবন। আজই আপনার “কিডনি কেয়ার কম্বো প্যাক-৪” অর্ডার করুন এবং অপারেশনের ঝুঁকি এড়িয়ে সুস্থ থাকুন।

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অপারেশন ছাড়াই কিডনি পাথর ও সিস্ট থেকে স্থায়ী মুক্তি – কম্বো প্যাক -৪”

Your email address will not be published. Required fields are marked *